হঠাৎ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৪, ১৪:৩৫  

হঠাৎ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে ওবায়দুল কাদের । ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে হঠাৎ চারজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ডেকে নিয়ে বৈঠক করছেন।আজ সোমবার (৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এদিন সংবাদ সম্মেলনটি খুব একটা দীর্ঘ হয়নি। সংবাদ সম্মেলন শেষে দপ্তর কক্ষে চলে যান ওবায়দুল কাদের। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত ছিলেন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে দপ্তর কক্ষে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দুই মন্ত্রীকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। বেলা ১টা ৩২ মিনিটে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আসেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। একই সময়ে আসেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন্নাহার চাপা। তারা দুইজনও যোগ দেন বৈঠকে। বৈঠকে আসতে দেখা গেছে দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াকে।

দলীয় সূত্রমতে, হঠাৎ করেই বৈঠকটির আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ, আইনগত দিক ও করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হতে পারে।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এই কোটা আন্দোলনে পলিটিক্সের উপাদান যুক্ত হয়ে গেছে। আমাদের ডিভাইসিভ পলিটিক্স পোলারাইজড পলিটিক্স এখানে যুক্ত হয়ে গেছে। কারণ বিএনপি প্রকাশ্যে এবং তাদের সমমনারা এই কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করেছে। তারা সাপোর্ট করেছে প্রকাশ্যেই।তিনি বলেন, সাপোর্ট করা মানেই তারা এরমধ্যে অংশগ্রহণও করেছে। কাজেই এটা এখন পোলারাইজড পলিটিক্সের ধারার মধ্যেই পড়ে গেছে। এটার পলিটিক্যাল কালার নতুন করে বলার আর অপেক্ষা রাখে না।

কাদের বলেন, এখানে কারা কারা যুক্ত আছে, কোনও ষড়যন্ত্রের অংশ কি না সেটা এরমধ্যেই বোঝা যাবে। এই গতিধারায় সবকিছুই সময়ের পরিবর্তনে পরিষ্কার হয়ে যাবে। কোনও কিছুই হাইড করা সম্ভব হবে না। সেটা আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালে পরিপত্র জারি করে সব কোটা বিলুপ্ত করে সরকার। পরে কোটা পুনর্বহালের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করে সাতজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন। উচ্চ আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। আমরা মনে করি উচ্চ আদালত বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে রায় দেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *